জুব্বা মুবারাক রোগদূরীভূতকারী

 

সায়্যিদাতুনা আসমা বিনতে আবি বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার আক্বিদা


জুব্বা মুবারাক রোগদূরীভূতকারীঃ-


❏সায়্যিদাতুনা আসমা বিনতে আবি বকর সিদ্দিক(رضي الله عنه) একটি লম্বা জুব্বা মুবারক বের করে বললেন,



وَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَلْبَسُهَا، فَنَحْنُ نَغْسِلُهَا لِلْمَرْضَى يُسْتَشْفٰى بِهَا



-‘‘এটি এমন জুববা যেটি রাসূলে পাক (ﷺ) পরিধান করতেন আমরা এটি ধৌত করে এর পানি রোগীকে পান করাই আর অসুস্থ ব্যক্তি শেফা লাভ করে।’’ ৩২৪


{৩২৪. সহীহ মুসলিম শরীফ, ৩/১৬৪১ পৃ. হা/২০৬৯, পরিচ্ছেদ: بَابُ تَحْرِيمِ اسْتِعْمَالِ إِنَاءِ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ عَلَى الرِّجَالِ وَالنِّسَاءِ، وَخَاتَمِ الذَّهَبِ وَالْحَرِيرِ عَلَى الرَّجُلِ، وَإِبَاحَتِهِ لِلنِّسَاءِ، وَإِبَاحَةِ الْعَلَمِ وَنَحْوِهِ لِلرَّجُلِ مَا لَمْ يَزِدْ عَلَى أَرْبَعِ أَصَابِعَ ; খতিব তিবরিযি, মিশকাত শরীফ, ২/১২৪২ পৃ. হা/৪৩২৫ (ভারতীয় পৃ. ৩৪৪), বায়হাকী, আস-সুনানুল কোবরা, ২/৫৯৪ পৃ. হা/৪২১০ এবং শুয়াবুল ঈমান, ৮/২০৭ পৃ. হা/৫৭০২, বাগভী, শরহে সুন্নাহ, ১২/৩৩ পৃ. হা/৩১০৩, ইবনে আছির, জামেউল উসূল, ১০/৬৮৮ পৃ. হা/৮৩৪৪}



আক্বিদা


সাহাবায়ে কিরাম (رضي الله عنه) রাসূল (ﷺ)-এর শরীর মুবারক স্পর্শকারী বস্তুকে সাহাবায়ে কেরাম বারকাতওয়ালা এবং উপকার দানকারী হিসেবে জানতেন। এ জন্যই রাসূল (ﷺ)-এর জুব্বা মুবারক পানিতে ভিজিয়ে উক্ত পানি অসুস্থ ব্যক্তিকে পান করাতেন। প্রিয় নবী (ﷺ)-এর শরীর মুবারক স্পর্শকারী জুব্বা মুবারাক যদি রোগ দূরীভূতকারী হয়, তবে খুদ জাত মুবারককে মুসিবত দূরকারী এবং অসুস্থতাকে আরোগ্য দানকারী মানা কিভাবে শিরক হবে?



❏আ’লা হযরত ইমামে আহলে সুন্নাত শাহ্ আহমদ রেযা খাঁন বেরলভী (رحمة الله) বলেন, ‘আকিদাহ মুসিবত দূরকারী’।


____________________

আকাইদে সাহাবাহ

(সাহাবায়ে কিরামদের সাথে সুন্নি আক্বিদার সাদৃশ্য)

মূল:আল্লামা আবুল হামিদ মুহাম্মদ যিয়াউল্লাহ

ক্বাদেরী আশরাফী (رحمة الله)

বঙ্গানুবাদ: মাওলানা হাফেয মুহাম্মদ আতিকুর রহমান

সূত্রঃ 🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan


Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন