নামায কোনো অবস্থায় ছেড়ে দেয়া যাবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে নামায আদায়ের শক্তি থাকবে, ততক্ষণ দাঁড়িয়ে নামায আদায় করবে। আর যখন দাঁড়িয়ে নামায আদায় করা সম্ভব না হবে তখন বসে বসে নামায আদায় করবে। বসে বসে রুকু করবে এবং রুকু করে উভয় সিজদা আদায় করবে। আর বসা অবস্থায় রুকু করার নিয়ম হচ্ছে পেট বরাবর হয়ে ঝুকা। আর যদি রুকু সিজদা করার শক্তিও না থাকে। সে ক্ষেত্রে রুকু সিজদা ইশারা করে আদায় করবে এবং সিজদার জন্য রুকু থেকে একটু বেশী ঝুকবে। সিজদার জন্য টেবিল অথবা উঁচু কোন কিছু রাখা এবং এর উপর সিজদা করা দুরস্ত ও জায়েয নেই।
তাওবার নামায
যদি কোন ব্যক্তির কোন কথা ও বাক্য শরীয়তের খেলাপ তথা শরীয়ত পরিপন্থী হয়ে যায়, তাহলে খুলুছ নিয়তে ও একাগ্রতার সাথে দুই রাকাত নফল নামায আদায় করে আল্লাহ তা‘আলার দরবারে কান্না-কাটি করে এর থেকে তাওবা করবে এবং তার কৃত কর্মের উপর অনুতপ্ত ও লজ্জিত হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করবে এবং ভবিষ্যতে পরিপূর্ণ ও পাকাপোক্ত ভাবে শপথ করবে যে- আর কখনো এ ধরণের শরীয়ত বিরোধী কর্ম করবে না। আল্লাহ তা‘আলা দয়া-মেহেরবানী করে তার গোনাহ মাফ করে দিবেন।
তাওবার নামাযের নিয়ত
نَوَيْتُ أَنْ اُصَلِّـىَ لِلّٰهِ تَعَالٰى رَكَعَتَىْ صَلٰوةِ التَّوْبَـةِ مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهْةِ الْكَعْبِةِ الشَّرِيْفَةِ اَللهُ أَكْبَرُ.
উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তা‘আলা রাকা‘আতাই সালাতিত্ তাওবাতে মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা‘আবাতিশ শারিফাতি আল্লাহু আকবর।
___________________
গাউছিয়া আজিজিয়া নামায শিক্ষা
রচনায়ঃ মুহাম্মদ আজিজুল হক আল্-কাদেরী (রহ)
সূত্রঃ 🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন