তাকওয়া মু’মিন নর-নারীর এক অনন্য বৈশিষ্ট্য। এ ক্ষেত্রেও ইসলাম নারীকে পুরুষের সমমর্যাদা দান করেছে। তাকওয়া দ্বারা আল্লাহর নৈকট্য ও আল্লাহর নিকট মর্যাদাবান হওয়া যায়। যেমন পবিত্র কুরআনে ঘোষিত হয়েছে-
إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللهِ أَتْقَاكُمْ
তোমাদের মধ্যে আল্লাহর নিকট তার মর্যাদা সবচেয়ে বেশী তোমাদের মধ্যে যে সর্বশ্রেষ্ঠ মুত্তাকী। ২৮
২৮.সূরা জাসিয়া, আয়াত: ১৯
আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন-
اللَّهُ وَلِيُّ الْمُتَّقِين
তাকওয়া অর্জনকারীগণ আল্লাহর বন্ধু। ২৯
২৯.সূরা হুজরাত, আয়াত: ১৩
অর্থাৎ তাকওয়ার ব্যাপারেও ইসলাম নর-নারীর মধ্যে কোন ধরণের প্রভেদ রাখেনি; বরং উভয় সমমর্যাদার অধিকারী। আল্লাহর নিকট মর্যাদাশীল হওয়ার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের কোন ভেদাভেদ নেই বরং তাকওয়াই হলো শ্রেষ্ঠত্বের মাপকাঠি।
___________
কিতাব: নন্দিত নারী
লেখক: হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ ওসমান গণি
আরবি প্রভাষক, জামেয়া আহমাদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা, ষোলশহর, চট্টগ্রাম।
সূত্রঃ 🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন