ইমামের যোগ্য ব্যক্তির বর্ণনা
بيان من يصلح للامامة
الصالح للامامة هو الرجل الذى من اهل الصلوٰة المفروضة سواء كان حرا اوعبدًا بصيرا كان او اعمىٰ تقيا كان اوفاجرًا .
وعلى ماروى عن النبى صلّٰى الله عليه وسلم انه قال صلوا خلف كل بروفاجر.
والصبى العاقل لا تجوز امامته فى الفرائض لانه لايصح منه اداء الفرائض لانه ليس من اهل الفرض.
وهل تجوز امامته فى النوافل كاالتراويح وغيرها ؟
أجاز بعضهم ولم يجز عامتهم – هذا كله عندنا .
وقال الشافعىؒ تجوز امامة الصبى العاقل – وأماصاحب الهوى فان كان هوى يكفره لاتجوز امامته – وان كان لايكفره جازمع الكراهة .
ফরয নামাযের হকদার ব্যক্তি সে স্বাধীন, পরাধীন, দ্রষ্ট অদ্রষ্টা, নেককার, বদকার যাহাই হউক না কেন তিনি ইমামের উপযোগী। নবী করিম (ﷺ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমরা সকল নেককার ও বদকারের পিছনে নামায পড়। জ্ঞানী শিশুর পিছনে ফরয নামায পড়া যাবে না। কেননা সে ফরযের হকদার নয়। তারাবি ও অন্যান্য নফল নামায তার পিছনে বৈধ হবে কি? কোন কোন ইমাম বৈধতার পক্ষে মত প্রকাশ করেছেন; তবে অধিকাংশরাই অবৈধতার পক্ষে। এ সবগুলো বৈধ ও অবৈধ আমরা হানাফীদের অভিমত। ইমাম শাফেয়ী (رحمة الله) এর মতে জ্ঞানী শিশুর ইমামতি বৈধ। কু-প্রবৃত্তি পূজারী যাহা কুফরীর দিকে ধাবিত করে ব্যক্তির ইমামতি বৈধ হবে না। তবে কুফরীর দিকে ধাবিত না করলে মাকরূহের সাথে বৈধ হবে।
__________________
কুররাতুল উয়ুন লিমানিল মুমিনুনাল মুখলিছুন
রচনায়ঃ মুহাম্মদ আজিজুল হক আল্-কাদেরী (رحمة الله)
অনুবাদ: এম. এম. মহিউদ্দীন
🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan]
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন